দি ফিল্ডসম্যান

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় দি ফিল্ডসম্যান।

দি ফিল্ডসম্যান

 

দি ফিল্ডসম্যান

 

৪৪ নং নিয়ম

ফিল্ডসম্যান তার শরীরের যে কোন অংশ দিয়ে বল থামাতে পারে, কিন্তু সে যদি ইচ্ছে করে অন্যভাবে বল থামায় তাহলে রান- সংখ্যার সঙ্গে আরো ৫ রান যোগ হবে। আর ব্যাটসম্যানরা কোন রান না নিয়ে থাকলে শুধু ৫ রান যোগ হবে। স্ট্রাইকার যদি বলটি আঘাত করে থাকে, তাহলে তার রানের সঙ্গে এই রান যুক্ত হবে । তা না হলে বাই, লেগ বাই, নো-বল কিংবা ওয়াইড বল যা হবে তার সঙ্গে যুক্ত হবে ।

 

দ্রষ্টব্য

(ক) ফিল্ডসম্যান বল ধরার জন্যে তার মাথার টুপি প্রভৃতি ব্যবহার করবে না ।

(খ) ৫ রান যোগ হলেও ব্যাটসম্যানরা দিক পরিবর্তন করবে কারণ এই রান ফিল্ডসম্যানের দণ্ড স্বরূপ প্রাপ্ত রান । না ।

(গ) পরীক্ষামূলক নিয়ম :

পপিং ক্রীজের পেছনে ‘অন সাইডে বোলারের বোলিং করার সময় ফিল্ডারের সংখ্যা দু’য়ের বেশী হবে না । তবে পপিং ক্রীজের পেছনে ছাড়া অন সাইডে ফিল্ডারের সংখ্যার ধরা-বাঁধা কোন নিয়ম নেই। অর্থাৎ পপিং ক্রীজের পেছনের দু’জন সহ ‘অন সাইডে’ ফিল্ডিং পক্ষ যতোজন খুণী ফিল্ডার রাখতে পারেন । ক্রিকেট দেখতে গেলেই মাঠের মধ্যে কালো প্যান্টের উপর সাদা লংকোট চাপানো দু’টি লোককে দেখা যায়। ফুটবল খেলার রেফারীর মতো এঁরা খেলা পরিচালনা করেন। এরা আম্পায়ার ।

আম্পায়ারের কাজ যেমন কঠিন তেমনি কষ্টসাধ্য। অনেক অভ্যাস, অনেক চেষ্টার পর ভালো আম্পায়ার হওয়া যায় । পরিশ্রমসাধ্য কাজও বটে। পুরো সময় খেলার মাঠে, খেলার উপর তীক্ষ্ণ নজর রেখে, ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে হবে : এ ছাড়া অন্ত কোন পন্থাও নেই ৷

 

দি ফিল্ডসম্যান

 

সমস্ত দায়িত্বের ঝুঁকি মাথার উপর নিয়ে আম্পায়ারকে খেলা পরিচালনা করার জন্তে নামতে হয়। প্রতি পদে পদে বাধা পাওয়ার সম্ভাবনা, খেলোয়াড়দের কাছ থেকে না পেলেও দর্শকদের কাছ থেকে সহজে রেহাই পাবার উপায় নেই। একটু অন্তমনস্ক হলেই ভুল হবে। আর ভুল হলে তো কথাই নেই । আম্পায়ারের কাজ যথেষ্ট কষ্টসাধ্য, যথেষ্ট পরিশ্রমের। তাই আম্পায়াররা তাদের দুরূহ কাজের জন্য পান সকলের কাছ থেকে অকুণ্ঠ সম্মান ।

Leave a Comment