ক্রিকেটের অভিধান

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় ক্রিকেটের অভিধান।

Table of Contents

ক্রিকেটের অভিধান

 

ক্রিকেটের অভিধান
ক্রিকেটের অভিধান

 

অ – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

অন—ক্রিকেট মাঠে বোলারের ডান দিক, আর বোলার-মুখো ব্যাটসম্যানের বাঁ দিকটাকে ‘অন’ বা ‘অন সাইড’ বলা হয়। অফ—বোলারের বাঁ দিক, আর বোলারের দিকে মুখ করা অর্থাৎ স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যানের ডান দিকটা। অন সাইড প্লেয়ার—যে ব্যাটসম্যান অনের দিকে বেশী হিট করে। অফ সাইড প্লেয়ার—যে ব্যাটসম্যান অফ সাইডে বেশী মেরে খেলতে অভ্যস্ত । অলরাউণ্ডার—ব্যাটিং বোলিং এবং ফিল্ডিং তিনটিই যে খেলোয়াড় ভালো করতে পারে । অবস্ট্রাক্টিং দি ফিল্ড—অসুবিধা সৃষ্টির জন্যে আউট ।

আ – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

আপিল—আম্পায়ারের কাছে আউটের জন্যে আবেদন করা । আউট—নিয়মমাফিক ব্যাটসম্যানের খেলার ইনিংস শেষ । এক- জন ব্যাটসম্যান নিম্নলিখিত যে-কোনভাবে আউট হতে পারে। (১) বোল্ড, (২) কট, (৩) এল. বি. ডব্লিউ, (৪) হিট উইকেট, (৫) রান আউট, (৬) স্টাম্পড, (৭) হিট দি বল টোয়াইজ, (৮) হ্যাণ্ডলড দি বল, (৯) অবস্ট্রাক্টিং দি ফিল্ড ।

আউট সুইঙ্গার—ফাস্ট কিংবা মিডিয়াম পেস বোলাররা যে বলগুলো অন থেকে অফের দিকে ধনুকের মতো ঘুরিয়ে দেয় । আউট অফ হিজ গ্রাউণ্ড—স্ট্রাইকার কিংবা নন-স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যান পপিং ক্রীজ ছেড়ে বেরিয়ে গেলে অর্থাৎ ক্রীজের বাইরে থাকলে বলা হয় যে ব্যাটসম্যান আউট অফ হিজ গ্রাউণ্ড ।

আণ্ডার আর্ম বোলিং—হাত না ঘুরিয়ে বল করা। কাঁধের তলা থেকে বল ছুড়ে দেওয়া । আনফেয়ার গেম—খেলা যখন নিয়মমাফিক চলছে না। আম্পায়ার—ক্রিকেট খেলার বিচারক এবং খেলা পরিচালনা করার দায়িত্ব বহনকারী ভদ্রলোক । আউট ফিল্ড—ক্রিকেট মাঠের মধ্যের চারপাশ। পিচ ছাড়া মাঠের অন্য অংশকে আউট ফিল্ড বলে।

ই – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

ইনিংস — দলের ব্যাটসম্যানদের আউট হয়ে যাওয়া কিংবা এর মধ্যে সমাপ্তি ঘোষণা করা পর্যন্ত সময়। বড় ম্যাচে প্রতি দলকে দেখা যায় ছ’টি করে ইনিংস খেলতে । কোন দলের ব্যাটিং করার সময়কেই ইনিংস বলে।
ইনসুইঙ্গার—ফাস্ট কিংবা পেস বোলারদের যে বলগুলো ধনুকের মতো বেঁকে অফ থেকে অনের দিকে যায় ।

ইয়র্কার বল—যে বলগুলো ঠিক ব্যাটের তলায় এসে পিচ খায়, অর্থাৎ ব্যাটসম্যান যেখানে ব্যাট পেতে রেখেছে ঠিক সেইখানে মাটির উপরে পড়ে। ইনিংস ডিফিট—ইনিংস-এ পরাজয়। একটি দল প্রথম ইনিংস-এ যতো রান করলো অপর দলটি দু’টি ইনিংস-এও সেই রান করতে না পারলে, বলা হয় দলটি ইনিংস-এ হেরেছে। এ ক্ষেত্রে দু’ ইনিংস ব্যাট করার পরও অপর দলটি থেকে যতো রানে পিছিয়ে থাকবে দলটি এক ইনিংস ও ততো রানে পরাজিত হবে।

উ দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

উইকেট—দু’দিকের তিনটে তিনটে ছ’টা স্টাম্প। অনেকে উইকেট বলেন। পিচকে উইনিং দি টসটসে জেতা ।  উইদাউট স্কোর—রান না করা, কিংবা রান করতে না পারা। উইকেট-কিপার—উইকেট-রক্ষক। উইকেটের ঠিক পেছনে প্যাড ও গ্লাভস পরে যে দাড়িয়ে থাকে ।

এ – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

এ্যাটাকিং ফিল্ড—ব্যাটসম্যানের কাছাকাছি ফিল্ডার রেখে ক্যাচ আউট করার চেষ্টা। এ্যাগ্রেসিভ ব্যাটিং—তাড়াতাড়ি রান তোলার জন্যে পিটিয়ে খেলা । এজিং—ব্যাটের আনাচে-কানাচে বল লাগা । এক্সট্রা—অতিরিক্ত রান। বাই, লেগ-বাই, নো-বল ইত্যাদি রানকে এক্সট্রা রান বলে। অস্ট্রেলিয়ায় এক্সট্রাকে ‘সানড্রি’ বলা হয় ৷ এক্সট্রা কভার—ফিল্ডিং করার একটা জায়গার নাম ।

এল. বি. ডব্লিউ.—লেগ বিফোর উইকেট। ব্যাটসম্যানকে আউট করার একটা উপায়। সোজা বলগুলো যেগুলো পায়ে না লাগলে নিশ্চয়ই উইকেটে লাগতো অর্থাৎ উইকেটের সোজাসুজি বল পায় লাগলে এই আউট দেওয়া হয়। এ্যাবডমিন্যাল গার্ড—ব্যাটসম্যান ও উইকেট-কিপারের এক রকমের পোশাক। খেলতে নামার আগে গার্ড পরার পর প্যান্ট পরে ব্যাটিং কিংবা উইকেট-কিপিং করার জন্য নামতে হয় । এ্যালঙ্গ দি কার্পেট—মাটি কামড়ে বল যাওয়া অর্থাৎ মারার পর বলটা একটুও উঁচু না হয়ে মাটির উপর দিয়ে যাওয়া ।

ও – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

ওপেনিং দি শোল্ডারস-জোর পিটিয়ে খেলা। হাত খুলে মারা । ওভার থো—ছোড়া বল ধরতে না পারা। ফিল্ডার বল ধরে এমন ভাবে উইকেটে ছুড়লো যে উইকেট-কিপার কিংবা অন্য কোন ফিল্ডার সে বলটা ধরতে পারলো না। একেই ওভার থে1 বলা হয় । ওভার—এক দফায় বোলার যে ক’টি বল দেয়। আজকাল ছ’টা কিংবা আটটা বলে ওভার হয় ।

ওভার দি উইকেট—উইকেটের বাঁ দিক দিয়ে বল করা। ডান হাতের বোলার যখন উইকেটের বাঁদিক দিয়ে বল করে অথবা বাঁ হাতের বোলার যখন উইকেটের ডান দিক দিয়ে বল করে। ওয়াইড—ব্যাটসম্যানের নাগালের বাইরে দিয়ে যাওয়া বল । ওয়ান শর্ট—একটি রান কম। ব্যাটসম্যান পপিং ক্রীজ না ছুঁয়েই যখন আবার রান নিতে যায় তখনই ওয়ান শর্টের প্রশ্ন ওঠে, অর্থাৎ ঐ রানটি পূর্ণ হয় নি, রানটি বাদ দিতে হবে । আম্পায়ার তখন ওয়ান শর্টের ইশারা দিয়ে স্কোরারকে বিষয়টি জানান । ওভার বাউণ্ডারী—বল মারার পর উঁচু হয়ে বাউণ্ডারী সীমানার বাইরে চলে যাওয়া। এই মারের জন্য ছ’ রান দেওয়া হয়।

ক – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

কট—ক্যাচ লুফে আউট করা । কট ইন টু মাইণ্ডস—দো’মনা ভাব। এগিয়ে বা পিছিয়ে খেলবে ঠিক করতে না পারা । কট বিহাইণ্ড বা কট এ্যাট দি উইকেট—ক্যাচ তুলে উইকেট- কিপারের হাতে আউট হওয়া ।
কট এণ্ড বোল্ড—ক্যাচ তুলে বোলারের হাতেই ধরা পড়া । কভারস ও কভার পয়েন্ট—অফের দিকে ফিল্ডার দাড়াবার জায়গাটার নাম । কলারিং দি বোলিং – বোলারদের পরোয়া না করে ব্যাটসম্যানের সচ্ছন্দে পিটিয়ে খেলা ।

কাউ শট—গুড লেংথ বল বেমক্কা মেরে মিড উইকেটের দিকে পাঠান। কাট—অফের দিকে ক্রস ব্যাটে একটি মারের নাম। এ ক্ষেত্রে বলটি কভার থেকে থার্ডম্যান অঞ্চলের ভিতর দিয়ে বাউণ্ডারির দিকে যাবে। ক্যারি দি ব্যাট—ওপেনিং ব্যাটসম্যানের শেষ পর্যন্ত নট আউট থাকা। দলের শেষ খেলোয়াড় আউট হয়ে গেল, অথচ ওপনি ব্যাটসম্যান তখনও নট আউট ।

কাঁপিং দি লেংথ – ক্রমাগত গুড লেংথ বজায় রেখে বোলিং করা। কাঁপিং দি রান ডাউন—রান দাবিয়ে রাখার মতলব করা। কভার ড্রাইভ-অফের দিকে একরকমের মার। কভার দিয়ে জোরে মারা । কাউন্টি—মাথার টুপি৷ ইংলণ্ডের দলগুলোকে কাউন্টি দল বলে । কোয়ার্টার সেঞ্চুরী—২৫ রান । কমেনটেটার বক্স—যেখান থেকে রিলে করা হয় ।

গ – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

গালী—উইকেট-কিপারের কাছাকাছি অফের দিকের একটি ফিল্ডিং স্থানের নাম। উইকেটকিপারের পাশে শ্লিপদের পরেই এই স্থান । গট হিমসেলফ আউট—নিজের দোষে রান আউট হওয়া বা অন্য কোনোভাবে ইচ্ছে করে আউট হওয়া । গিভিং দি বল এয়ার—উঁচু করে বল ছোড়া বা দেওয়া । গুগলী — লেগ ব্রেকের ভঙ্গিতে অফ ব্রেক বল দেওয়া । গুড লেংথ—এক ধরনের বলের নাম। ব্যাটসম্যানের কিছুটা
সামনে পিচ খায় । সব থেকে ভালো বল ।

গেটিং অফ দি মার্ক— প্রথম রান করা । গ্লান্স বা গ্লাইড—লেগের দিকে এক রকমের মার। এই ক্ষেত্রে বল স্কোয়ার লেগ থেকে লং লেগ অঞ্চলে বল যায় । গন ওভার দি বাউণ্ডারী লাইন—বল বাউণ্ডারী লাইন অতিক্রম
করা । গ্রাউণ্ড ফিল্ডিং—ব্যাটসম্যান বল হিট করার পর ধরা বা বল ফিল্ড করা। গ্রীপ হাতে বল ধরার ভঙ্গি।

চ – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

চান্স—আউট হবার সুযোগ দেওয়া । চেঞ্জ ইন বোলিং—বোলার পরিবর্তন করা। চেঞ্জ বোলার——নাম করা বোলার না হয়েও, দরকার মত যে বোলার বল করে। পরিবর্ত বোলার। চায়নাম্যান~ন্যাটা বোলারের ডান হাতের ব্যাটসম্যানকে অফ ব্রেক বল দেওয়া ।

জ – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

জাম্পিং আউট টু ড্রাইভ—জোরে হিট করার জন্যে ব্যাটস- ম্যানের ক্রীজ ছেড়ে এগিয়ে যাওয়া । জাজমেন্ট—বিচার বুদ্ধি । বুদ্ধি করে বাইরের বল ছেড়ে দেওয়ায় অনেক সময় এই কথাটি ব্যবহার করা হয়।

ট – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

টস—টাকা কিংবা কোন জাতীয় কয়েন ওপরে ছুঁড়ে দিয়ে কোন্ দল আগে ব্যাটিং করবে ঠিক করে নেওয়া । টাইমিং-ঠিক সময় ব্যাটে বল লাগানো ।

টুয়েলফথ ম্যান— ১২ নং অর্থাৎ অতিরিক্ত খেলোয়াড়। দ্বাদশ ব্যক্তি। প্রত্যেক দলেই একজন করে টুয়েলফথ ম্যান থাকে । কতক- গুলো বিশেষ কাজ তাকে করতে হয়।

টেকিং গার্ড—ব্লক নেওয়া। কোন্ স্টাম্পের সামনে ব্যাটসম্যান ব্যাট রাখবে ঠিক করে নেওয়া ।

টেকিং স্পিন—বল যখন খুব ঘোরে অর্থাৎ ব্ৰেক খায়। টেম্পটিং দি ব্যাটসম্যান ব্যাটসম্যানকে লোভ দেখানোর জন্য – লুজ বল দেওয়া।

টেস্ট খেলা—দু’দেশের মধ্যে সরকারী ক্রিকেট প্রতিযোগিতা । টপ স্পিন—এক রকমের বল। লেগ ব্রেক বলের মতো দেখতে হলেও বলটা আসলে উপর থেকে ঘুরপাক খেতে খেতে নেমে পিচ খেয়ে অফের দিকে না বেঁকে সোজা উইকেটের দিকে ছুটে যায় ।

টসিং দি বল ইন হিজ হ্যাও——হাতের উপর বল নিয়ে নিজে নিজে লোফালুফি করা । টার্ণ দি বল টু দি লেগ সাইড—লেগের দিকে বল ঘোরান ।

ড – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

ডাক—গোল্লা করা ৷

ডিগিং ইন—উইকেটে টিকে থাকার জন্যে খুব সাবধানে খেলা । ডিফেন্সিভ ফিল্ড-রান বাঁচাবার জন্যে ফিল্ড সাজানো । ডিক্লেয়ার—সব ব্যাটসম্যান আউট হবার আগে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করা ।
ডিপ-ফিল্ডিং-বাউণ্ডারী লাইনের কাছাকাছি ফিল্ডিং করা।

ডিরেকশন—নিশানা। কোন্‌খানে বল ফেলতে হবে বা অন্য কিছুর। ডেড ব্যাট—আত্মরক্ষার জন্যে আলগোছে বলের সামনে ব্যাট পেতে ধরা । ডেলিভারী—বোলারের হাত থেকে বল ছাড়া পাবার মুহূর্ত । ডোপিং দি উইকেট—ব্যাটসম্যানদের পক্ষে সুবিধাজনকভাবে পিচ বানানো। ড্রাইভ—একরকম যার। উইকেটের সামনে সোজা ব্যাটে খুব জোরে মারা । ড্র অফ স্টাম্পস – দিনের খেলা শেষ।

ন – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

নকিং দি বোলার অফ হিজ লেংথ – বোলারকে ঘাবড়িয়ে দেবার জন্যে খুব কোষে পিটান । নাইট ওয়াচ ম্যান——দিনের শেষের দিকে অল্প আলোতে পাকা খেলোয়াড়কে না পাঠিয়ে সময় কাটানর জন্যে শেষের দিকের কাঁচা ব্যাটসম্যানকে ব্যাট করতে পাঠান যাতে ভাল ব্যাটসম্যানরা পরের
দিন ভালো আলোতে ব্যাট করার সুযোগ পায় । নিউ-বল-বোলার—ফার্স্ট বোলার, যে নতুন বলে প্রথম বল
করে ৷
নো-বল—নিয়ম বিরুদ্ধ বল ।

প – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

পপিং ক্রীজ—যে দাগটার উপর ব্যাটসম্যান ব্যাট দিয়ে দাড়ান । পয়েন্ট—অফের দিকে একটি জায়গার নাম, পপিং ক্রিজের লাইন বরাবর । পুটিং আপ দি শাটার্স—রান না করে শুধু ঠেকিয়ে যাওয়া । পেয়ার অফ স্পেক্ট্যাকলস – দু’ ইনিংসেই যে ব্যাটসম্যান গোল্লা করেছে।

প্লেসিং—যেখানে ফিল্ডার নেই সেখানে বল পাঠান ।

পিচ—যে স্থানটার উপর ব্যাটিং ও বোলিং করা হয়। মাঠের ঠিক মধ্যিখানে।

পুশিং—বল ঠুকে দেওয়া বা ঠেলে দেওয়া। প্লে ডাউন-একভাবে আউট হওয়া ।

প্যাড—ক্রিকেট খেলার সরঞ্জাম। বলের আঘাত থেকে পা বাঁচাবার জন্যে ব্যাটসম্যান এবং উইকেট-কিপার পায়ে বেঁধে নেন। প্যাডিং আপ বা প্যাড প্লে স্টাম্পের বাইরের বল প্যাড দিয়ে আটকিয়ে দেওয়া ।

পুল—এক রকমের হিট। লেগের দিকে ঘুরিয়ে মারা । প্যাভেলিয়ন—যেখানে খেলোয়াড়রা অবস্থান করেন।

ফ – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

ফলো অন—পর পর দু’ ইনিংস ব্যাট করতে বাধ্য করা । ফলো থ—শরীরের ভার সামলান। ব্যাটসম্যান জোরে হিট করবার পর, বোলার বল করবার পর, আর ফিল্ডার বল ছোড়ার পর
শরীর, ব্যাট ও হাতের অবস্থা ।

ফরোয়ার্ড প্লে— সামনের পা বের করে দিয়ে এগিয়ে খেলা । ফরোয়ার্ড শর্ট লেগ — ব্যাটসম্যানের খুব কাছাকাছি লেগের দিকে একটি স্থান। ফাইন লেগ—প্রায় উইকেটের পেছনে লেগের দিকে একটা জায়গা । ফার্মিং দি বোলিং – কাঁচা ব্যাটসম্যানকে ব্যাট করতে না দিয়ে নিজে বারবার বোলারকে ফেস করা এবং এই জন্য প্রয়োজন মত ওভারের শেষ বলে রান নেওয়া । ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেট—নিয়মমাফিক ভাবে তিন দিন কিংবা তার
বেশী দিনের খেলা।

ফ্লাইট চেঞ্জ—গতি বদল। বল করার সময় বোলার বলটা শূন্যে যে ছুঁড়ে দেয়, সেই বলের শূন্যে ছোঁড়ার উচ্চতার পরিবর্তন করা। বলের গতি বদল করে স্পিনাররা ব্যাটসম্যানকে ধোঁকা দেবার চেষ্টা করে। ফুল চেস্টেড—বুক চিতিয়ে বল করা, অর্থাৎ ব্যাটসম্যানের দিকে বুক করে ডেলিভারী করা ফুল টস—পিচ না খেয়ে যে বল স্টাম্পের উপরে পড়ে। ফাস্ট বোলিং—জোরে বল করা। ফেসিং এ ড্র–কষ্ট করে ড্র করা অর্থাৎ বিপক্ষ দলের জেতা খেলা অমীমাংসিত রাখা। ফাইন্যাল স্কোর—শেষ ফলাফল ।

 

cricketgoln.com Google news
আমাদের গুগল নিউজে ফলো করুন

 

ব – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

বডি লাইন—ব্যাটসম্যানের শরীর লক্ষ্য করে ক্রমাগত বল বাউণ্ডারী— মাঠের সীমানা। মাঠের চারদিকের সীমান লাইন ।

বাম্পার বা বাউন্সার- লাফিয়ে ওঠা বল। ফাস্ট বোলাররা শর্ট পিচ বল মাটিতে ঠুকে লাফিয়ে তোলে।

বিমার—ফুল টস বল ব্যাটসম্যানের শরীর লক্ষ্য করে যায় ।

বাটার ফিঙ্গারস—মাখনের আঙুল অর্থাৎ প্রায়ই ক্যাচ ফেলে দেয় এমন ফিল্ডার ।

বিটিং দি ক্লক— কম সময় থাকা সত্ত্বেও জেতার জন্য কিংবা হার বাঁচাবার জন্যে যতো রান দরকার তাড়াতাড়ি করে ফেলা। বিলিয়ার্ড টেবিল—ব্যাটসম্যানের পক্ষে সুবিধাজনক পিচ । বোলিং উইথ হেড—মাথা খাটিয়ে বল করা।

বোলিং ক্রীজ—যে দাগটার উপর স্টাম্প পোঁতা হয়। বোলার ঐ দাগ থেকে বল করে ।

ব্যাক লিফট—মারার আগে ব্যাট পেছনে তোলা ।

ব্যাকওয়ার্ড শর্ট লেগ — অনের দিকে ব্যাটসম্যানের পেছনে অথচ খুব কাছাকাছি যে ফিল্ডার দাড়ায়।

ব্যাকিং আপ—ওভার থো বাঁচাতে ফিল্ডারের উইকেট আগলে দাড়ান। বোলারের হাত থেকে বল ছাড়া পাওয়া মাত্র নন- স্ট্রাইকারের রান নেবার জন্যে এগিয়ে যাওয়া ।

ব্যাটসম্যানস প্যারাডাইস্—যে পিচে ব্যাটসম্যান খুব রান করতে পারে ।

খারাপ আবহাওয়ার জন্যে এমন হয় ।

ব্যাড লাইট—মাঠে আলো কমে যাওয়া। সন্ধ্যের দিকে কিংবা ব্যারাকিং— দর্শকরা দুয়ো দিয়ে ব্যারাকিং করে । ব্রেকিং দি ডাক—প্রথম রান করা । ব্লব—গোল্লা করা ।

ব্লকিং—ব্যাট দিয়ে বল আটকান।

ম – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

মেডেন ওভার—যে ওভারে কোন রান হয় নি।

মিডিয়াম পেস – যে বল খুব জোর কিংবা খুব আস্তে নয়। মাঝারি গতিবেগের বল। মিড অন ব্যাটসম্যানের সামনাসামনি অনের দিকে একটা জায়গা। বোলারের ডান পাশে । মিড উইকেট—মিড অনের এবং স্কোয়ার লেগ-এর মধ্যবর্তী একটি স্থান।

মিড অফ – বোলারের বাঁ পাশে ব্যাটসম্যানের সামনাসামনি একটা জায়গা ।

য় – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

য়্যাসেজ — ছাই। ইংলণ্ড-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে খেলার সময় ‘য়্যাসেজ’ কথাটা ব্যবহার করা হয়। যে দল বেশী টেস্টে জয়লাভ করে সেই দল য়্যাসেজ লাভ করেছে বলা হয়।

র – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

রং ওয়ান-গুগলী বলের অন্য নাম।

রান আউট— ট—এক রকমের আউট। ব্যাটসম্যান ক্রীজে পৌঁছানর আগে উইকেট ভেঙ্গে দিয়ে তাকে আউট করা ।

রান আপ—বল করার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত বোলারের ছোটা।

রাবার—যে দল এক মরশুমে বেশী টেস্টে জিতেছে সেই দল রাবার লাভ করেছে বলা হয়। শুধু ইংলণ্ড-অস্ট্রেলিয়ার বেলায় রাবারের স্থানে ‘য়্যাসেজ’ কথাটি ব্যবহার করা হয়।

রানার—অসুস্থ বা আহত ব্যাটসম্যানের হয়ে রান নেবার জন্যে যে দৌড়ায় ।

রিটার্ন ক্রীজ—বোলিং ক্রীজের দু’প্রান্তের সমকোণভাবে আঁকা দাগ ছ’টি ।

র‍্যাবিট—একেবারে কাঁচা খেলোয়াড়।

ল – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

লং অফ—অফের দিকে বোলারের বাঁ পাশে দূরের ফিল্ডার। দিকে দূরের

লং অন — অনের দিকে বোলারের ডান ফিল্ডার।

লং লেগ — অনের দিকে ব্যাটসম্যানের পিছনে বাউণ্ডারী লাইনের কাছে দাঁড়ান ফিল্ডার ।

লং হপ—শর্ট পিচের বলের অন্য নাম। ব্যাটসম্যান থেকে একটু দুরে পিচ খায় ।

লফটিং—উঁচু করে বল মারা ।

লাইফ—আউট হবার সুযোগ দিয়ে অব্যাহতি পাওয়া ।

লিফট—পিচে পড়ে বলের লাফিয়ে ওঠা ।

লিভিং দি বল এলোন — হিট না করে বল ছেড়ে দেওয়া ।

লেগ থিয়োরী—লেগের দিকে বেশী ফিল্ডার রেখে লেগ স্টাম্পে কিংবা তার একটু বাইরে বল করা।

লেগ ট্রাপ–লেগের দিকে ব্যাটসম্যানের কাছে বেশী ফিল্ডার রেখে ব্যাটসম্যানকে ক্যাচ আউট করার চেষ্টা করা ।

লেট কাট—এক রকমের মার। একটু দেরিতে ব্যাকফুটে অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট ছুঁয়ে দিয়ে কাট করা । হিটের পর বলটা থার্ডম্যানের কাছাকাছি দিয়ে যায়।

লেগ বাই—ব্যাটসম্যান ব্যাট অথবা গ্লাভস বাদে শরীরের যে কোন অংশে লেগে বল দূরে গেলে যে রান নেওয়া হয় ৷ লেগ সাইড-অনের দিক ।

লেগ বিফোর উইকেট—এল. বি. ডব্লিউ. আউট। উইকেট গার্ড করা পায়ে বা শরীরের অন্য কোনো অংশে বল লাগা ।

শ – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

শর্ট পিচ বল—যে বল ব্যাটসম্যান থেকে দূরে পিচ খায় ৷

শর্ট রান—বাংলায় ‘রান চুরি’ বলা হয়। ব্যাটসম্যান বলকে বেশী জোরে না মেরে উইকেটের কাছাকাছি কোনো জায়গায় ঠেলে দিয়ে রান করলে তাকে শর্ট রান বলে।
শাইন—বলের চক্‌চকে ভাব অর্থাৎ পালিশ ।
শর্ট লেগ—ব্যাটসম্যানের কাছাকাছি অনের দিকের ফিল্ডার।

স – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

সাইট স্ক্রীন—উইকেট বরাবর বাউণ্ডারী লাইনের ওপর রাখা বড় পর্দা দু’টো ৷

সিটার—সোজা ক্যাচ। সিলী ব্যাটসম্যানের খুব কাছের ফিল্ডার।

সেট—ব্যাটসম্যানের হাত জমিয়ে ফেলা।

স্কাইয়ার—খুব উঁচুতে তোলা ক্যাচ ।

স্কোর বোর্ড—যে বোর্ডের ওপর রান লেখা হয় । স্কোরার—যে ভদ্রলোক রান লেখেন ।

স্কোয়ার লেগ—অনের দিকে ফিল্ডিং স্থান। অনের দিকে পপিং ক্রিজের সমান্তরাল লাইন ।

স্টাম্পড—এক ধরনের আউট ।

স্ট্রিকী উইকেট—উইকেটের সাঙ্ঘাতিক অবস্থা। বৃষ্টির পর মাঠ শুকোবার সময় এমন অবস্থা হয় যে বল পড়ে হঠাৎ বেঁকে যায় কিংবা লাফিয়ে ওঠে।

স্টোন ওয়ালিং—আত্মরক্ষামূলকভাবে খেলে উইকেট বাঁচিয়ে রাখা ।

স্টান্স—ব্যাটসম্যানের দাঁড়াবার ভঙ্গি।

স্ট্যাণ্ড—এক জুটি ব্যাটসম্যান আউট না হয়ে যতক্ষণ খেলে ৷

স্টাইকার—উইকেট-কিপারের সামনে দাড়িয়ে যে ব্যাটসম্যান বোলারকে ফেস করছে।

স্ট্রোক প্লেয়ার—যে ব্যাটসম্যান মেরে খেলে।

স্ট্রিকী শর্ট—ব্যাটের আনাচে-কানাচে লাগা হিট।

স্পিড মার্চেন্ট—যার বল খুব ফাস্ট।

স্পেল-বিশ্রাম না নিয়ে একটানা বল করা।

সুয়িং বল— যে বল ধমুকের মত বেঁকে যায়।

 

ক্রিকেটের অভিধান
ক্রিকেটের অভিধান

 

হ – দিয়ে ক্রিকেটের অভিধান

হাফ ভঙ্গী—ব্যাটসম্যানের কাছে পিচ খাওয়া বল। হিট উইকেট—এক রকমের আউট।

হুইপিং দি বেলস — স্টাম্পড বা রান আউট করতে উইকেটের বেল ফেলে দেওয়া।

হুক— লেগের দিকে এক রকমের মার।

হ্যাট্রিক পর পর তিনটি বলে তিনটি উইকেট লাভ করা ।

আরও দেখুনঃ

Leave a Comment