বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে তিনি বিসিবি বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রাসেল ডমিঙ্গোর বিদায়!
এর আগে, গত ২৫ আগস্ট রাসেল ডমিঙ্গো পদত্যাগ করেছেন বলে গণমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে। তখন এমন খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন রাসেল ডমিঙ্গো।
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দলের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল ডমিঙ্গোকে। বিসিবি যে তার প্রতি সন্তুষ্ট ছিল না সেটি বোঝা যাচ্ছিল বছরখানেক ধরেই। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ না হওয়ায় কিছু করারও ছিল না বোর্ডের।
অবশেষে নতুন বছর শুরুর আগে ডমিঙ্গো নিজেই সরে গেলেন। ২০১৯ সালের আগস্টে প্রোটিয়া কোচ দুই বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশে কাজ শুরু করেন। পরে মেয়াদ বাড়ানো হয়। তিন বছরেরও বেশি সময় দায়িত্ব সামলান ডমিঙ্গো।
ভারতের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
এরপর তার দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে গিয়েছেন এই কোচ। বাংলাদেশে তিনি আর ফিরবেন না বলেই জানিয়েছেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস। এর আগে ডমিঙ্গোকে টি-টোয়েন্টি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
গত বিশ্বকাপের আগে টেকনিক্যাল পরামর্শক হিসেবে নিয়ে আসা হয় ভারতের শ্রীধরন শ্রীরামকে। এবার সব ফরম্যাট থেকেই সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ডমিঙ্গোকে। তার না থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছিল গত কয়েকদিনে বিসিবি কর্মকর্তাদের বক্তব্যে।
ভারতের বিপক্ষে মিরপুর টেস্ট শেষে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস সাংবাদিকদের বলেছিলেন ‘ভালো কোচের’ সন্ধানে আছেন তারা। ওই সময় কোচিং স্টাফে পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত দেন তিনি। এরপর একই সুরে কথা বলেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও।
২০১৯ সালে বাংলাদেশের দায়িত্ব পান ডমিঙ্গো। এরপর থেকে জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করে আসছিলেন তিনি। তার অধীনে মাউন্ট মঙ্গানুইতে টেস্ট জয়, দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে তাদের ওয়ানডে সিরিজ হারানোর মতো সাফল্য রয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে বিসিবি তার পারফরম্যান্সে খুশি ছিল না।