ব্র্যান্ডন ব্যারি ম্যাককালাম: একের ভিতর সব !!!

ব্র্যান্ডন ব্যারি ম্যাককালাম [একের ভিতর সব] : সময়টা ২০০৬ এর শেষের দিকে সঠিক ভাবে বললে ডিসেম্বর এর ৯ তারিখ। সিরিজের ১ম টেস্টের ৩য় দিন মাহেলা জয়াবর্ধানের শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপকে দুমড়েমুচড়ে দিয়েছে স্টিফেন ফ্লেমিং বাহিনী৷ একাই লড়ে করে ২য় ইনিংসে তখন ৯৯ রানে অপরাজিত কুমার সাঙ্গাকারা, অপর প্রান্তে মুত্তিয়া মুরালিধরন।

শেন বন্ডের করা বল ফাইন লেগে ঠেলে দিয়ে সিঙ্গেল নিয়ে তিন অংকের ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছালেন সাঙ্গাকারা। নন স্ট্রাইক প্রান্ত থেকে কোনো রকমে দাগটা স্পর্শ অভিবাদন জানাতে আসলেন মুরালিধরন৷

 

ব্র্যান্ডন ব্যারি ম্যাককালাম: একের ভিতর সব !!!
Brendon_McCullum_ব্রেন্ডন ম্যাককালাম

 

এদিকে ফাইন লেগ থেকে ক্রিস মার্টিনের করা থ্রোতে উইকেটরক্ষক কোনো কিছু চিন্তা না করেই উইকেট ভেঙ্গে দিলেন। ম্যাচ জয়ের জন্য কিংবা ব্যাটসম্যানকে আউট করার জন্য যেকোনো ক্রিকেটারই তা করবেন, তা খুবই স্বাভাবিক। তবে এখানে হতে পারে সেটা কিছুটা উইকেটরক্ষকের ভুল বুঝাবুঝি। কারণ তিনি তখন তাকিয়ে ছিলেন ফিল্ডারের দিকেই। আবেদনের সাথে সাথে আম্পায়ারও তখন আউটের আঙ্গুল তুলেছিলেন।

ইএসপিএন ক্রিকইনফোর কমেন্ট্রি অনুযায়ী সেই বলের ব্যাখ্যার ছিলো –

“Bond to Sangakkara, 1 run, OUT, what’s going on here, Sangakkara whips that down to fine leg and the single brings up his century, but Murali touched down at the striker’s end, turned around and left his crease to congratulate Sangakkara, the throw came in and McCullum whipped off the bails to run-out Murali, what a way for the innings to end. The ball was not dead and Murali should not have left his crease, it’s all very unfortunate for Sri Lanka.”

সেই ম্যাচ নিউজিল্যান্ড ৩ দিনেই জিতেছিলো, ঘটনাটা শেষ দিনেই ঘটেছিলো। তবে ওই উইকেটের পতন আরেকটু পরে হলেও ম্যাচ কিউইরা জিততো তা নিশ্চিত করে বলাই যায়। কিন্তু উইকেটরক্ষকের কাছে সেই রানআউট স্পোর্টসম্যান সুলভ আচরণ মনে হয়নি।

ব্র্যান্ডন ব্যারি ম্যাককালাম: একের ভিতর সব
ব্র্যান্ডন ব্যারি ম্যাককালাম

তিনি পরে দেখে বুঝতে পেরেছেন তিনি মুরালির সাথে অনেক বড় অন্যায় করেছেন, তবে সেটি অনিচ্ছাকৃত ভাবেই করেছেন তিনি। প্রায় একযুগ পর তিনি এজন্য প্রকাশ্যেই ক্ষমা চেয়েছেন। এখনও তিনি এই ঘটনার জন্য অনুতপ্ত। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে করা ভুলটার জন্য লজ্জিত সেই উইকেটরক্ষকের নাম ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।

আরেকটি ঘটনা তুলে ধরা যাক, ড্র এর পথে চট্টগ্রাম টেস্ট৷ এই টেস্ট বাংলাদেশ নিজের কৃতিত্বে ড্র করতে চলেছে। মমিনুল হকের ১৮১, ইতিহাসের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সোহাগ গাজীর একই টেস্টে সেঞ্চুরি হ্যাট্রিক এবং ইনিংসে ৫ উইকেটের বিরল কীর্তি, সব মিলিয়ে এই টেস্ট বাংলাদেশ তাদের

আধিপত্য বিস্তার করেই ড্র করতে চলেছে। শেষ বিকেলে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত ৪৮ ওভারের খেলা তখন শেষ। সাধারণত আম্পায়াররা তখন স্ট্যাম্প উপড়ে ফেলবেন, খেলোয়াড়রা হ্যান্ডশেক করবেন, ড্রেসিং রুমের খেলোয়াড়েরা মাঠে আসবে। এটাই তো হওয়ার কথা। কিন্তু সেটি হলো না!

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান তখন ৩৭ বলে ৪৬ রানে অপরাজিত। কিউই অধিনায়ক ব্র্যান্ডন ম্যাককালাম আসলেন, আম্পায়ারদের সাথে কথা বললেন, অনুরোধ করলেন আরেকটা ওভার বাড়ানোর। অর্ধশতক এর দারপ্রান্তে থাকা সাকিবের অর্ধশতকটা যেনো হয়ে যায়।

স্পিনার সৌধির করা প্রথম বল সাকিব ডিফেন্স করলেন এবং এরপরের বলে চার হাঁকিয়ে অর্ধশতক পূরণ করলেন৷ আর কিউই ভদ্রলোকের কমিটমেন্ট অনুযায়ী তখন খেলার সমাপ্তি ঘটলো, মন জয় করে নিলেন সবার। ট্রু স্পোর্টসম্যানশীপ। এসব ঘটনা আর এমন মানুষের জন্যই ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা।

ম্যাককালাম এমন আরো অনেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তার ব্যক্তিত্বের প্রসংশার বানে তিনি সবাইকে ভাসিয়েছেন। ব্যক্তি ম্যাককালাম যতটা ঠান্ডা, শান্তশিষ্ট, নম্র কিংবা ভদ্র, ব্যাটসম্যান, উইকেটরক্ষক, ফিল্ডার ম্যাককালাম এরচেয়েও বেশী আগ্রাসী, বিধ্বংসী এবং ক্ষ্যাপাটে। আর ক্যাপ্টেন ম্যাককালাম ততটাই মেধাবী৷

 

ব্র্যান্ডন ব্যারি ম্যাককালাম: একের ভিতর সব !!!

 

গতানুগতিক ক্রিকেট খেলে যখন কিউইরা বার বার সেমির দেওয়ালে গিয়ে পিঠ ঠেকাচ্ছিলো, ব্র্যান্ডন ক্যাপ্টেন হয়ে ২০১৫ তে সেই পথটাকে প্রশস্ত করলে ফাইনাল পর্যন্ত।

পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে তার নেতৃত্বে কিউইরা খেলেছিলো অসাধারণ এবং আগ্রাসী এক ক্রিকেট। এর আগে পুরো টুর্নামেন্ট এমন আধিপত্য বজায় রাখতে পেরেছিলো কশুধু অজিরাই, সেটি ২০০৩ এবং ২০০৭ বিশ্বকাপে।

পুরো টুর্নামেন্ট অপরাজিত থেকে ফাইনালে অজিদের কাছে গিয়ে হার মানতে হয়েছিলো নিউজিল্যান্ডকে। তবে ক্লার্কের দলকেও গ্রুপ স্টেজে দেড়শো রানে অলআউট করিয়েছিলেন তার আগ্রাসী এবং বুদ্ধিদীপ্ত ক্যাপ্টেন্সিতে, ব্যাট হাতে জিতিয়েছিলেন ম্যাচও।

ব্যাটসম্যান ম্যাককালামও ক্যারিয়ারের সেরা ওয়ানডে টুর্নামেন্টটাও খেললেন ওই বিশ্বকাপে। ৯ ইনিংসে ৩৬.৪৪ গড়ে ৩২৮ রান করেছেন, যেখানে স্ট্রাইক রেট ১৮৮.৫১ যা ওয়ানডে ক্রিকেটে নয় শুধু টি টুয়েন্টি ক্রিকেটের তুলনায়ও অনেকটা বেশী।

পরিসংখ্যান দিয়ে সব সময় ম্যাককালামকে পরিমাপও করা যাবে না। তবে কিছু কিছু ঐতিহাসিক কিংবা দুর্দান্ত ইনিংসে আছে যেগুলোর জন্যই ক্রিকেট বিশ্ব এই খাতারনাক ব্যাটসম্যানকে মনে রাখবে বহুদিন।

 

ব্যাটসম্যান ম্যাককালামের ক্যারিয়ারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্জন –

৩০২

এর আগে পরেও তার আরো অনেক ধ্বসাংত্বক কিংবা ভয়ানক ইনিংস আছে কিন্তু ৩০২ রানের ইনিংসটা অনেক বেশীই স্পেশাল। টেস্ট ক্রিকেটের প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরি বলেই হয়তোবা৷ যা প্রত্যেক ব্যাটসম্যানের একটি লালিত স্বপ্ন।

১৯৯১ তে শ্রীলঙ্কারর বিপক্ষে মার্টিন ক্রো’র ২৯৯ এরপর কিউইদের ট্রিপল সেঞ্চুরির ক্ষুধা যেনো আরো বেড়ে যায়। এতো কাছাকাছি যেয়েও হলো না কিন্তু আর কেউ পারছিলেনও না ট্রিপলের কাছাকাছি যেতে। আগের টেস্টেই ভারতের বিপক্ষে ২২৪ রান করেছেন অকল্যান্ডে। সে সুবাদে দলও জেতে ২৪ রানে। এরপর ওয়েলিংটন টেস্ট। ম্যাচ ড্র করলে অথবা জিততে পারলে ভারতের বিপক্ষে ১২ বছর পর টেস্ট সিরিজ জেতা হবে কিউইদের। কিন্তু ১-০ তে লিড থাকলেও এই টেস্টে ভারত ম্যাচ জেতার পথে ৷

কিউইদের ১৯২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ভারত করে ৪৩৮ রান। ২য় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে কিউইদের অবস্থা আরো বেগতিক। ৫২ রানে ৩ উইকেটের পতনের পর ক্রিজে আগমন বাজের। লাথামের সাথে ১০৩ বলে ৩৫ রানের জুটি। ৯৪ রানে নেই ৫ ব্যাটসম্যান। এরপর ওয়াটলিংকে সাথে নিয়ে ম্যারাথন জুটি। ৭৪৩ বলের জুটিতে দুজনে যোগ করেন ৩৫২ রান। এরপর নিশামের সাথে ২৩৬ বলে ১৭৯ রান। শেষ পর্যন্ত ৩০২ (৩৬৭) । তার ব্যাটিং বীরত্বে সে ম্যাচ ড্র করে কিউইরা। ১২ বছর পর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের স্বাদ এনে দেন অধিনায়ক নিজের হাতেই।

১৫৮ –

৭৩ বলে ১৫৮* বনাম আরসিবি। আইপিএল ইতিহাসের প্রথম ম্যাচেই নিজের ক্যারিয়ারের সবচাইতে বিধ্বংসী ইনিংসটি খেলেন বাজ। তার ১৫৮ রান দিয়ে তাকে নতুন করে চেনানোর প্রয়োজন হয় নি কারণ তার আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ব্যাপারে সবাই অবগত। তবে এই ইনিংস আইপিএলের গর্জন আরো জোরালো হয়ে উঠলো। প্রথম আসরের প্রথম ম্যাচেই এমন ইনিংস ক্রিকেট অনুরাগীদের আইপিএল মুখী করেছিলো যার আবহটা এখনও আছে। যেজন্য আইপিএলও ব্রেন্ডনের কাছে ঋণী। টি টোয়েন্টি ক্রিকেটের ব্র‍্যান্ডিংয়ের জন্য এই ইনিংসটিই যথেষ্ট ছিলো। অবশ্য ৭ বছর পর আবারও বার্মিংহাম বিয়ার্সের হয়ে ১৫৮ রানের আরেকটি ধ্বংসাত্মক ইনিংস খেলেছিলেন ন্যাটওয়েস্ট টি টোয়েন্টি ব্লাস্টে।

১১৬৪

এটি ম্যাকালামের ২০১৪ সালে টেস্টে এক ক্যালেন্ডার ইয়ারের রান। সে বছর টেস্ট ক্রিকেটে অসাধারণ কাটিয়েছিলেন। রঙিন পোশাকের ক্রিকেটে তার নানান রকম তকমা থাকলেও সাদা পোশাকে সবার চোখেই তিনি ছিলেন সাদামাটা এক ব্যাটসম্যান৷ কখন। সে বছর ভারতের বিপক্ষে ব্যাক টু ব্যাক দুই ডাবল –  ২২৪ এবং ৩০২, পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০২ এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৯৫ রানের ইনিংস৷ খুব কাছে গিয়েও ভাগ বসানো হয়নি অল্পের  মাইকেল ক্লার্কের এক ক্যালেন্ডার ইয়ারে ৪ ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ডে। সে বছর প্রথম কিউই ব্যাটসম্যান হিসেবে এক ক্যালেন্ডার ইয়ারে ১০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। ৯ টেস্টে ১৬ ইনিংসে ৭২.৭৫ গড়ে ১১৬৪ রান করেন তিনি।

১৮

২০০৭ বিশ্বকাপে কানাডার বিপক্ষে ২০ বলে ফিফটি করেন ম্যাককালাম। দ্রুততম ফিফটির মালিক বনে যান তিনি। ২০১৫ তে এসে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙ্গেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২৫ বলে ৭৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলার পথে মাত্র ১৮ বলে অর্ধশতক হাঁকান তিনি।

৫৪

ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টে এসে জন্ম দেন আরেক রেকর্ডের। মাত্র ৫৪ বলে তুলে নেন সেঞ্চুরি। ভেঙে দেন স্যার ভিভ রিচার্ডস এবং মিসবাহ উল হক এর করা দুজনের ৫৬ বলে সেঞ্চুরিএ রেকর্ড। তবে এই রেকর্ড গড়ার পর অভিনন্দন জানাতে ভুলেননি ভিভ৷ তিনি বলেন,

“Let me take this opportunity to congratulate McCullum.I have been a fan of yours for many years, so well done on your achievement. If there was going to be an individual who you would have liked to surpass whatever you have achieved in life, certainly it would have been you. You are a great ambassador and make the game beautiful.”

১০১*-

ক্যারিয়ার জুড়েই ফিটনেসের জন্য বাহবা পেয়েছেন। এমন ফিটনেসের কারণেই সাক্ষী হতে পেরেছেন প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে খেলেছেন টানা ১০০ টেস্টের। অজি গ্রেট অ্যাডাম গিলক্রিস্টের টানা ৯৬ টেস্টের রেকর্ড ভেঙ্গে নিজে গিয়ে থেমেছেন ১০১ এ। যাত্রা শুরু ২০০৪ সালে স্যাডন পার্কে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আর শেষ হয় ২০১৬ এর ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে।

১০০

এই সংখ্যাটি ম্যাককালামের ক্যারিয়ারের সাথে অনেক ভাবে জড়িত। প্রথম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে টানা ১০০ ম্যাচ। ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টে এসে গড়েন ২য় ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে ১০০ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড। টেস্টে ১০০ এবং ওয়ানডেতে ২০০ ছক্কা হাঁকানো একমাত্র ব্যাটসম্যান তিনি। টি টুয়েন্টিতে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ২টি শতরানও তিনিই হাঁকান।

এমন আরো অনেক অনেক রেকর্ড গড়েছেন, অনেক বিধ্বংসী ইনিংস আছে। আরেক সহোদর নাথান ম্যাককালাম ও ব্যাটে বলে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ব্ল্যাক ক্যাপ্সদের হয়ে। বাবাও ছিলেন ক্রিকেটার। মাঝে মাঝে তিনিও উইকেট কিপিং করতেন, সেখান থেকেই উইকেট কিপিংয়ের বীজটা বুনে যায় তার মাঝে।

বরাবই ম্যাককালাম মুগ্ধ করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের। কখনো শন টেইটের ৯৫ মাইল গতির বলে শুয়ে স্কুপ শটে, কখনো ডেল স্টেইনদের ডাউন দ্যা উইকেটে এসে ছক্কা হাঁকিয়ে, কখনো জনসনদের বাউন্সার গুলোকে সীমানা দড়ির অপর প্রান্তে ফেলে। মুগ্ধ করেছেন উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে বাজ পাখির মতো লাফিয়ে বল লুফে নেওয়ায় কিংবা চিতার মতো দৌঁড়ে ক্ষ্যাপাটে ফিল্ডিংয়ের মাধ্যমে।

তার ব্যাপারে সতীর্থ কেন উইলিয়ামস ” Brendon McCullum earned respect because he brought the best out of his players and believed in having a healthy relationship with the opposition.”

ম্যাককালাম আমাদের শিখিয়েছেন স্পোর্টসম্যানশীপ, লড়াই করে যাওয়া, শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়া। ম্যাককালামরা আছেন বলেই ক্রিকেট ভদ্রলোকের খেলা।

 

ব্র্যান্ডন ব্যারি ম্যাককালাম: একের ভিতর সব

(লেখকঃ ইশতিয়াক শাওন : ক্রীড়া গুরুকুল)

ব্যাটসম্যান ম্যাককালামের সম্পর্কে আরও জানতে: ব্রেন্ডন ম্যাককালাম

মন্তব্য করুন