দেশের ৩ ভেন্যুতে এশিয়া কাপ আয়োজনের প্রাথমিক প্রস্তুতি বিসিবির

দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর আবারও ঘরের মাঠে এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। সব পরিকল্পনা ঠিকঠাক এগোলে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে দেশের মাটিতে বসতে পারে এশিয়ার ক্রিকেটের এই জমজমাট আসর। মহাদেশীয় এই টুর্নামেন্টটি সফলভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ম্যাচগুলো আয়োজনের জন্য দেশের প্রধান তিনটি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামকে বেছে নিয়েছে বোর্ড। এই সম্ভাব্য ভেন্যুগুলো হলো—ঢাকার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম এবং সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

অবশ্য ভেন্যু চূড়ান্ত করার পুরো প্রক্রিয়াটি এখনও প্রাথমিক পর্যালোচনার স্তরে রয়েছে। বিসিবির এই প্রস্তাবের পর স্টেডিয়ামগুলোর সুযোগ-সুবিধা, আসন ক্ষমতা এবং বর্তমান অবকাঠামোগত অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছে টুর্নামেন্টের মূল পরিচালনা সংস্থা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। ওয়ানডে ফরম্যাটের এই এশিয়া কাপটি আগামী বছরের জুন-জুলাই উইন্ডোতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যদিও এসিসির পক্ষ থেকে এখনও টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়নি।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মিরপুরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ভেন্যু সংক্রান্ত এই অগ্রগতির কথা নিশ্চিত করেন বিসিবির নিরাপত্তা কমিটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ। তিনি জানান, এশিয়া কাপের জন্য দেশের নিয়মিত আন্তর্জাতিক ম্যাচ হওয়া তিনটি ভেন্যুর নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। মিরপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট—তিনটি মাঠই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তবে এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। যদি সব ঠিক থাকে এবং আগামী বছরের এশিয়া কাপ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়, তবে দেশের ক্রিকেটপ্রেমী দর্শকরা মাঠে বসে দারুণ একটি টুর্নামেন্ট উপভোগ করতে পারবেন।

সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ আরও জানান, প্রস্তাবিত ভেন্যুগুলোর সার্বিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বিসিবির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এসিসি। বিসিবিও খুব দ্রুত তাদের চাহিদামতো সব ধরনের তথ্য ও ডেটা সরবরাহ করবে। আশা করা হচ্ছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দুই পক্ষের পর্যালোচনার পর ভেন্যুর বিষয়টি চূড়ান্ত রূপ পাবে।

বাংলাদেশ সর্বশেষ ২০১২, ২০১৪ এবং ২০১৬ সালে টানা তিনবার এশিয়া কাপের সফল আয়োজক হয়েছিল। এর মধ্যে ২০১২ ও ২০১৪ সালের আসর দুটি ওয়ানডে ফরম্যাটে এবং ২০১৬ সালের আসরটি হয়েছিল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। যদি আগামী বছরের জুন-জুলাই উইন্ডোর এই টুর্নামেন্টটি বাংলাদেশে আসে, তবে দীর্ঘ ১১ বছর পর দেশের মানুষ ঘরের মাঠে ওয়ানডে ফরম্যাটের এশিয়া কাপ দেখার সুযোগ পাবে। চেনা কন্ডিশনে এমন টুর্নামেন্ট আয়োজন যেমন বাংলাদেশ দলের জন্য বাড়তি সুবিধা নিয়ে আসবে, তেমনি দেশের ক্রিকেট উন্মাদনাকেও এ

মন্তব্য করুন