এক বছরে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটা এখন সালমানের

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যালেন্ডার দিন দিন ঘনিভূত হচ্ছে। ব্যস্ত সূচির এই বাস্তবতায় রেকর্ড ভাঙা-গড়াও ঘটছে নিয়মিত। তবে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আগার অর্জনটি শুধু ব্যস্ততার পরিসংখ্যান নয়, এটি তাঁর ফিটনেস, মানসিক দৃঢ়তা এবং ধারাবাহিকতার এক অনন্য প্রমাণ। এ বছর পাকিস্তান মোট ৫৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে, এবং আশ্চর্যের বিষয়—এই ৫৪টিতেই মাঠে নেমেছেন সালমান। এর মধ্য দিয়ে তিনি গড়েছেন এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার বিশ্ব রেকর্ড।

এই রেকর্ডটি নিশ্চিত হয় গতকাল ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমে। তাঁর এই ম্যাচটি আগের যৌথ রেকর্ডধারী তিন কিংবদন্তিকে—ভারতের রাহুল দ্রাবিড়, মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং পাকিস্তানের মোহাম্মদ ইউসুফ—পেছনে ফেলে দেয়। এঁরা প্রত্যেকে এক বছরে খেলেছিলেন ৫৩টি ম্যাচ।

২০২৪ সালে সালমানের ম্যাচসংখ্যা:
৩২টি টি-টোয়েন্টি
১৭টি ওয়ানডে
৫টি টেস্ট

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে ২২ জন খেলোয়াড় এক বছরে ৫০ বা এর বেশি ম্যাচ খেলেছেন। এই তালিকায় প্রথম নামটি শচীন টেন্ডুলকারের। ১৯৯৭ সালে তিনি প্রথম ছুঁয়েছিলেন ‘ফিফটি’ মাইলফলক, যা পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে দ্রাবিড় ভেঙে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেন।

সালমান তাঁর রেকর্ডে বিশ্ব ক্রিকেটে অনন্য হলেও পাকিস্তান দলের সামনে রয়েছে আরেক অর্জনের হাতছানি। বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামলেই পাকিস্তান ভেঙে দেবে নিজেদের জাতীয় রেকর্ড—এক বছরে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার (৫৪) রেকর্ড, যা আগেই ছিল ২০১৩ সালের দখলে।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, এক বছরে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড এখনও ভারতের দখলে; ২০২২ সালে ভারতীয় দল খেলেছিল অবিশ্বাস্য ৭১টি ম্যাচ

Leave a Comment