আবু জায়েদের জাদুতে সিলেটের সহজ জয়, ঢাকা বিপদে

বরিশাল বনাম ঢাকা ম্যাচেও তৃতীয় দিনে উত্তেজনা চলছিল। ২৪৩ রানে ৩ উইকেট নিয়ে দিন শুরু করেছিল বরিশাল। শেষ পর্যন্ত তারা অলআউট হয় ৩৪১ রানে। দলের সাফল্যে ফিফটি করেছিলেন তাসামুল হক ও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। ঢাকার সুমন খান ৪ উইকেট নেন।

জাতীয় ক্রিকেট লিগের পঞ্চম রাউন্ডের রংপুর-রাজশাহী ম্যাচটি তিন দিনেই শেষ হয়েছে। ১৩০ রানের টার্গেট পেয়ে রংপুর শুরুতে বিপদে পড়েছিল। পাঁচ উইকেট হারিয়ে তারা মাত্র ৫৯ রান সংগ্রহ করেছিল। সেই সময় মাঠে নেমে দলের জয় নিশ্চিত করেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান নাসির হোসেন।

নাসির ৫৭ রানের ইনিংসে তানভীর হায়দারের সঙ্গে ৭৩ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর ১৩০ রানে পৌঁছে দেন। এই জুটিই রংপুরকে জয় এনে দেয়। ২০১৮ সালে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা নাসিরের অভিজ্ঞতা স্পষ্টভাবেই দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে।

রংপুরের বোলাররাও নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন। প্রথম ইনিংসে ১০ রানের লিড নিয়ে ব্যাট করতে নামা রাজশাহীকে তারা অলআউট করে ১১৯ রানে। মেহেদী হাসান ৪ উইকেট, রবিউল হক ও মুকিদুল ইসলাম ৩টি করে উইকেট নেন। নাসিরের ব্যাটিং এবং বোলারদের সম্মিলিত পারফরম্যান্স মিলিয়ে রংপুরের জয় নিশ্চিত হয়।

খুলনা-ময়মনসিংহ ম্যাচে তিন দিনের শেষে এখনও নাটক শেষ হয়নি। খুলনা প্রথম ইনিংসে ৩৮৭ রানের বড় সংগ্রহ করেছে, সৌম্য সরকারের সেঞ্চুরির মাধ্যমে। ময়মনসিংহ শেষ দিন পর্যন্ত ৩ উইকেট হাতে রেখেছে এবং ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে।

ময়মনসিংহের হয়ে ফিফটি করেছেন মোহাম্মদ নাঈম, আজিজুল হাকিম, আবদুল মজিদ। অপরাজিত রয়েছেন আল আমিন জুনিয়র (62) ও আরিফ আহমেদ (59)। শেষ দিনে এই দুই ব্যাটসম্যানের পারফরম্যান্সে ম্যাচের রূপ নির্ধারণ হবে।

খুলনা-ময়মনসিংহ ম্যাচ এখনও খেলার জন্য উন্মুক্ত। শেষ দিনে যদি কোনো নাটকীয় ঘটনা না ঘটে, তবে ম্যাচটি ড্রয় হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ঢাকা দলের দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই চাপে পড়ে। ৬৮ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নামা দলটি ১২৪ রানে ৫ উইকেট হারায়। তৃতীয় দিনের শেষে তারা ৫৬ রানে এগিয়ে। যদিও ম্যাচটি এখনও চালু, ঢাকার সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

সিলেটের ম্যাচেও আবু জায়েদ ৯ উইকেট নিয়ে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান। তিন দিনের মধ্যে এমন ভিন্নধারার জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

বরিশাল বনাম ঢাকা: প্রধান স্কোর

দলইনিংসরানউইকেট
বরিশাল1ম34110
ঢাকা2য়1245

Leave a Comment