আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় ক্রিকেট খেলার স্কোরার ।
ক্রিকেট খেলার স্কোরার

৪ নং নিয়ম
খেলায় যতো রান হবে খেলাটির জন্যে নিয়োজিত স্কোরার সেই সমস্ত রান লিখবেন । খেলায় যত রান হবে ‘রেকর্ড বুকে’ তাঁরা লিখবেন এবং আম্পায়ারের দেওয়া নির্দেশ এবং ইশারার দিকে লক্ষ্য রাখবেন এবং তার প্রত্যুত্তর দেবেন।
দ্রষ্টব্য
যতক্ষণ পর্যন্ত আম্পায়ারের রান হওয়ার ইশারার প্রত্যুত্তর স্কোরাররা না দেবেন, ততক্ষণ আম্পায়ার খেলা বন্ধ রাখবেন। কোন বিষয়ে অসুবিধা হলে স্কোরার এবং আম্পায়াররা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে পারেন ।
বিশেষ মতামত
স্কোরাররা আম্পায়ারদের নির্দেশ দিতে না পারলেও, প্রয়োজন বোধে যে কোন বিষয়ে ( রাম সংক্রান্ত ) প্রশ্ন করতে পারেন। সাধারণ এবং ছোটদের খেলায় বল শেষ হলে আম্পায়ারকে সে বিষয়ে জানাতে পারেন। কিন্তু এর জন্যে খেলা কোন মতেই বন্ধ হতে পারে না।
১৯২৫ সালের কথা। বিলেতে একটা ম্যাচ খেলার সময় বলটা মেপে দেখা গেলো যে, বলটার পরিধি ন’ ইঞ্চিরও কম। এরপর শুরু হলো বিভিন্ন খেলায় বল মাপা। কিন্তু দেখা গেলো বেশীর ভাগ বলই ছোট। এম, সি, সি, কর্তৃপক্ষ তখন ভাবলেন বলের পরিধি সওয়া ন’ ইঞ্চি হওয়া উচিত। তাই বল মেপে দেবার জন্যে তাঁর 1 একটা ফ্রেম বানাতে চাইলেন।

বোলাররা দেখলেন মহা মুশকিল । এই ছোট বলেই যখন ব্যাটম্যানরা ছম-দোরাক্বা পেটাচ্ছেন, সেঞ্চুরীর পর সেঞ্চুরী হাঁকাচ্ছেন, তখন বল যদি আরো বড় করা হয়, তাহলে তো আর দেখতে হবে না। ব্যাটম্যানদের খুব সুবিধে হয়ে যাবে । বোলাররা সহজে তাঁদের আউট করতে পারবেন না। তাই বল বড় করার প্রস্তাব শুনে চারদিক থেকে সমস্ত বোলাররা হা-হা করে উঠলেন। শেষ পর্যন্ত বোলারদের দিকে তাকিয়ে এম, সি, সি, কর্তৃপক্ষ আর আপত্তি করলেন না। বোলারদের কথাই মেনে নিলেন : বলের মাপ রইল ন’ ইঞ্চি।
