আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় টিটোয়েন্টি – বিনোদন ক্রিকেট ।
টিটোয়েন্টি – বিনোদন ক্রিকেট

টিটোয়েন্টি ক্রিকেটের নিয়মকানুন নিম্নলিখিত কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া ওয়ান ডে ম্যাচের মতোই। আসলে টিটোয়েন্টি হচ্ছে ক্রিকেটের বিনোদন সংস্করণ! এখানে খেলার মাধ্যমে দলীয় পারফরম্যান্স যাচাই করার সুযোগ কম।
- এখানে ইনিংসে সর্বোচ্চ ওভার ২০।
- যদি কোন বোলার বল করার সময় পপিং ক্রিস অতিক্রম করে নো রান হিসাবে ব্যাটিং দল ১ রান পাবে এবং বোলার বলটি পুনরায় ‘ফ্রি হিট’ বল হিসাবে বলিং করবে।
- একজন বোলার সর্বোচ্চ ৪ ওভার ( 20% of 20 overs) বল করতে পারবে।
- বোলিং দল লেগ সাইডে কখনো পাঁচ জনের বেশি ফিল্ডার রাখতে পারবে না।
- ইনিংসের প্রথম ৬ ওভারে বোলিং দল ৩০ গজ বৃত্তের বাহিরে দু’জনের বেশি খেলোয়াড় রাখতে পারবে না। • প্রথম ৬ ওভারের পর বাকী ওভারগুলোতে বোলিং দল ৩০ গজ বৃত্তের বাহিরে পাঁচ জনের বেশি ফিল্ডার রাখতে পারবে না।
- উভয়দলের সমান রান হওয়ার কারণে যদি ফলাফল টাই হয় তবে ‘সুপার ওভার’-এর মাধ্যমে জয় পরাজয় মিমাংসীত হবে। অর্থাৎ এক ওভারের মিনি ইনিংস! প্রথমে একদল এক ওভারে ব্যাটিং করবে ও অন্যদল বোলিং করবে। তারপর আরেক ওভারে দল বদল হয়ে আগের ব্যটিং দল বোলিং করবে এবং আগের বোলিং দল ব্যাটিং করবে। এই দুই ওভারে রান/উইকেট হিসাব করে জয় পরাজয় মিমাংসীত হবে।

ক্রিকেটের একটি ম্যাচ সর্বোচ্চ ৫দিন পর্যন্ত চলতে পারে। দেশ এবং খেলার ফর্মের (টেস্ট, ওয়ান ডে, টি২০) ওপর ভিত্তি করে ক্রিকেটের আইনকানুনে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও বেসিক আইনকানুন সব ক্ষেত্রে প্রায় একরকম। অন্যান্য অনেক জনপ্রিয় খেলার তুলনায় ক্রিকেটের আইনকানুন কিছুটা বেশি এবং কোন কোন ক্ষেত্রে অনেকটা জটিল। তাছাড়া সময়ের দাবী এবং যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নিয়মিত পুরানো আইনের পরিবর্তন হচ্ছে এবং নতুন আইনের সৃষ্টি হচ্ছে।
