উন্মুক্ত চাঁদ হবেন চট্টগ্রামের ট্রামকার্ড?

উন্মুক্ত চাঁদ হবেন চট্টগ্রামের ট্রামকার্ড? গত বিপিএলে মাঝারি আকারের দল নিয়ে দারুন পারফরমেন্স দেখিয়েছে চট্টগ্রাম। এবার দলে তারকা খেলোয়াড় নেই। তারপরও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স দলে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় আছে যারা টি-টোয়েন্টিতে ভালো করতে পারেন এবং এই মৌসুমে তারাই দলের ভরসা হবেন।

উন্মুক্ত চাঁদ হবেন চট্টগ্রামের ট্রামকার্ড?

ড্রাফটে সুযোগ পেয়েও স্থানীয়দের মধ্যে বড় কোন তারকাকে নেয়নি চট্টগ্রাম। জাতীয় দলে না খেলা মৃত্যুুঞ্জয় চৌধুরী এবং শুভাগত হোম চৌধুরীকে দলে নেয় তারা। শুভাগতের জাতীয় দলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও অভিষেক হয়নি মৃত্যুঞ্জয়ের।

অফ-স্পিনিং অলরাউন্ডার হিসেবে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরমার শুভাগত। এছাড়া তরুণ তুর্কি আফিফও হতে পারেন তুরুপের তাশ। এই ডানহাতি লোয়ার মিডল-অর্ডার ব্যাটার হিসেবে যেকোন বোলিংকে সমস্যায় ফেলতে পারেন । বাংলাদেশের কন্ডিশনে অফ স্পিন বোলিং খুবই কার্যকর এবং পাওয়ার প্লেতে ভালো বোলিং করতে পারেন তিনি।

জাতীয় দলে এখনও জায়গা না পেলেও ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমান করেছেন মৃত্যুঞ্জয়। গত বিপিএলে সেটি দেখিয়েছেন তিনি। গত বিপিএলে হ্যাট্রিকও করেছিলেন । ডেথ ওভার স্পেশালিস্ট হিসেবে নিজের সেরাটা দেখিয়েছিলেন এই পেসার। ব্যাট হাতেও জ¦লে উঠতে পারেন এই বাঁ-হাতি। দলের প্রয়োজনে কার্যকর ইনিংস খেলতে পারেন মৃত্যুঞ্জয়।

ওপেনার  বিবেচনায়  নেদারল্যান্ডসের ম্যাক্স ও’দাউদকে দলে নিয়েছে চট্টগ্রাম। গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি দারুন পারফরমেন্স করেছেন তিনি। তবে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের উইকেটের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়া ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক অধিনায়ক উন্মুখ চাঁদকেও দলে নিয়েছে চট্টগ্রাম। এশিয়ার কন্ডিশন সর্ম্পকে বেশ ভালোই জানেন চাঁদ।

ভারতের অন্যতম প্রতিভাবান ব্যাটার হিসাবে বিবেচনা করা হতো উন্মুক্ত চাঁদকে। কিন্তু দীর্ঘ সময়ের জন্য ফর্মহীন থাকায় ভারতীয় নির্বাচকদের বিবেচনা থেকে বাদ পড়েন তিনি। যদি নিজের সেরা ফর্মে ফিরতে পারেন তাহলে বড় পার্থক্য গড়ে দিবেন উন্মুক্ত চাঁদ। এ জায়গায় স্থানীয়দের মধ্যে বিকল্প হিসেবে থাকছেন তৌফিক খান তুষার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সিলেট বিভাগের হয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে আলোচনায় আসেন তিনি।

 

আগামী ৬ জানুয়ারি বিপিএলের প্রথম ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের মুখোমুখি হবে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।
চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স :
গরাসরি চুক্তি : আফিফ হোসেন, বিশ্ব ফার্নান্দো (শ্রীলংকা), আশান প্রিয়াঞ্জন (শ্রীলংকা), কার্টিস ক্যাম্পার (আয়ারল্যান্ড), দারউইশ রাসুলি (আফগানিস্তান)।
ড্রাফট থেকে স্থানীয় খেলোয়াড় : মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, শুভাগত হোম চৌধুরী, মেহেদি হাসান রানা, ইরফান শুক্কুর, মেহেদি মারুফ, জিয়াউর রহমান, তাইজুল ইসলাম, আবু জায়েদ রাহি, ফরহাদ রেজা, তৌফিক খান তুষার।
ড্রাফট থেকে বিদেশী খেলোয়াড় : ম্যাক্স ও’ডাউড (নেদারল্যান্ডস), উন্মুখ চাঁদ (ভারত/মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)।

Leave a Comment