স্কোরার জেনে রাখবে

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় স্কোরার জেনে রাখবে।

স্কোরার জেনে রাখবে

ক্রিকেট খেলায় স্কোরারদের যথেষ্ট দায়িত্ব আছে। কারণ স্কোর বুকই হচ্ছে ক্রিকেট খেলার একমাত্র রেকর্ড বুক, যা দেখে ভবিষ্যতে খেলার ফলাফল নিয়ে কথা চলবে। তাই স্কোরারদের কাজ খুবই দায়িত্বপূর্ণ। স্কোরাররা নিম্নলিখিত কাজগুলো অবশ্বই করবেন,

(ক) মাঝে মাঝে নিজেদের স্কোর বুক মিলিয়ে দেখবেন, ঠিক আছে কিনা ৷

স্কোরার জেনে রাখবে

 

স্কোর সম্বন্ধে কোন সন্দেহের প্রশ্নই যাতে না উঠতে পারে, সেই দিকে দৃষ্টি রাখা স্কোরারদের প্রধান কর্তব্য হওয়া উচিত। ৪নং নিয়মে স্কোরার ক’জন থাকবে তার স্পষ্ট উল্লেখ নেই। কিন্তু কোন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রত্যেক দলের জন্ম একজন করে স্কোরার থাকবে। যদি একজন মাত্র স্কোরার থাকে তাহলে তার উপর সঠিক স্কোরের সমস্ত দায়িত্বই থাকবে।

 

প্রত্যেক স্কোরার অপর স্কোরারের সঙ্গে মোট স্কোর, প্রত্যেক উইকেট পড়ার সময় স্কোর প্রত্যেক ব্যাটসম্যানের নিজস্ব স্কোর প্রভৃতি মিলিয়ে নেবেন। এতে ভুল হবার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। স্কোরারের খেলাতে হস্তক্ষেপ করার কোন অধিকার নেই। মোট রানের সঠিকতা সম্বন্ধে যদি কোন সন্দেহ হয় তাহলে স্কোরার আম্পায়ারের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারেন ।

(খ) নো-বল হলে গোলের মধ্যে একটা ফুটকুলি দিয়ে বোঝাবেন । [ – ] দুটো নো-বল হলে দুটো ডট [ ] । তিনটে হলে তিনটে [ :[ ]। ‘ওয়াইড বল’ হলে যোগের চিহ্ন দেবেন এবং একটা ডট [+] দুটো হলে হুটো ডট। চারটে হলে চারটে [+]। বোলিং অ্যানালিসিসের মধ্যে ঐগুলো লেখা হয়।

যখন রান হয় তখনও ঐ গোলের মধ্যে ১ বা ২ যা রান হবে লিখতে হয়। একটা রান হলে (১), তিনটে রান হলে (৩)। আবার মেডেন ওভার হলে ইং এম. [M] লেখা হবে। উইকেট পেলে অবশ্য মেডেন ওভারে ইং ডব্লিউ [ W] লেখা হয়।

 

স্কোরার জেনে রাখবে

 

(গ) স্কোরারদের আম্পায়ারদের ইশারা বুঝতে হবে এবং সেই অনুযায়ী রান লিখতে হবে। নিম্নলিখিত উপায়ে আম্পায়ার ইশারা দেন । বাউণ্ডারী— হাতটি সোজাসুজি বুক বরাবর তুলে নাড়ানো । ওভার বাউণ্ডারী— দু’হাত মাথার ওপর তুলে, এদিক ওদিক করে। বাই—একটা হাত মাথার ওপর তুলে ধরে । লেগ বাই—একটা পা তুলে এবং হাত দিয়ে তাকে স্পর্শ করে। ওয়াইড—কাধ বরাবর দু’হাত সোজা রেখে । নো-বল—কাঁধ বরাবর একটা হাত তুলে । আউট—একটা আঙ্গুল মাথার ওপর তুলে (তর্জনী)। ওয়ান শর্ট— একটা হাত দিয়ে কাঁধ স্পর্শ করে ।

Leave a Comment