সিলেট টেস্টের চা-বিরতির সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ১৯৮/১। ওপেনার সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসান জয়ের ব্যাটিং তাণ্ডব আয়ারল্যান্ডের বোলারদের পরিকল্পনা পুরোপুরি ব্যর্থ করেছে। শুরু থেকেই দুই ব্যাটারের নিয়ন্ত্রণমূলক খেলা দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে।
সাদমান ইসলাম ১০৪ বল খেলে ৮০ রান সংগ্রহ করে আউট হন। তার আউট হওয়ার কারণ ছিল বামহাতি ব্যাটার হিসেবে কাট শট খেলতে গিয়ে কিপারের হাতে ধরা পড়া। মাঠের আম্পায়ার প্রথমে আউট না দিলেও আয়ারল্যান্ডের রিভিউতে সাফল্য পায়। এই ঘটনার পর মাঠের আবহ পরিবেশে উত্তেজনা তৈরি হয়।
অপরদিকে মাহমুদুল হাসান জয় ১৮৪ বল খেলে ৯৪ রানে অপরাজিত থাকেন। জয় ধীরে ধীরে শতকের দিকে এগোচ্ছেন। তার ব্যাটিং দলের মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করেছে এবং উইকেটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ খেলার মাধ্যমে ইনিংসকে দৃঢ় করেছে।
মুমিনুল হকও তিন নম্বরে ক্রিজে অবস্থান স্থাপন করেছেন। ৪৩ বল খেলে ২১ রান সংগ্রহে তিনি দলের সংগ্রহকে সমর্থন দিয়েছেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ এখন আয়ারল্যান্ডের প্রথম ইনিংসের তুলনায় মাত্র ৮৮ রান পিছিয়ে, যা স্পষ্টভাবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ টাইগারদের দিকে নির্দেশ করছে।
প্রথম সেশন ২৪ ওভারেই ১০৯ রান করা বাংলাদেশ দ্বিতীয় সেশনে একমাত্র উইকেট হারায়। তবে মুমিনুল ও জয় সতর্ক খেলা অব্যাহত রেখেছেন। ৩০ রানের দ্বিতীয় জুটি বাংলাদেশের ইনিংসকে স্থিতিশীল করে তুলেছে।
বাংলাদেশের ব্যাটিং দৃঢ় এবং উইকেট সহনশীল। জয় তার সেঞ্চুরি করলে দলের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। এই ইনিংসের মাধ্যমে টাইগাররা প্রমাণ করেছে যে তারা আয়ারল্যান্ডের বোলিং আক্রমণকে মোকাবেলা করতে সক্ষম।
